Cookie Policy          New Registration / Members Sign In
PrabashiPost.Com PrabashiPost.Com

একা বোকা

মার্কিন-প্রবাসী বাঙালি গৌতম সরকারের নিজের জীবন নিয়ে গল্প।

Gautam Sarkar
Tue, Mar 17 2015

About Gautam

Born and raised in Kolkata’s Ballygunge, Gautam moved to US for higher education. A chemist by profession and a drop-out of medical school, he is passionate about cooking, travelling and sports, particularly cricket and tennis. He loves spending time with family and friends, and writing and singing Rabindrasangeet.


More in Culture

Happy Colours of Life

Durga Puja in London: The UnMissables

Mahishasura Mardini

গোবিন্দের গীত হতে উত্তরণ মেঘদূতে

 
তারপর দু’ হাতে মুখ ঢেকে ঝর ঝর করে কেঁদে ফেলে গৌতম।

Morecio এখন ঘরে নেই। তা’হলে কার কাছে মুখ লুকালো ও? নিজের কাছেই? কান দুটো কি জমে গেলো? নাকটাও কেমন যেন.... তারপর ধপাশ্‌, করে বসে পড়ে ও, ওর dorm-room এর bunk-bed-এর নীচের তলাটায়। নাঃ, পেছনটা feel করা গেলো।

সেদিনকার কথা মনে পড়ে গেলো ওর, যেদিন ও সটান চলে গিয়েছিল বিজন সেতুর পাশের ভারত সেবাশ্রম সংঘে, শুধুমাত্র বালিগঞ্জের বাড়িটা ছাড়ার ইচ্ছায়। তারপর কয়েকটা মাস কেমন যেন ঘোরের মধ্যে দিয়ে কেটে গেলো। আজ Iowa-য় বসে হঠাৎ এসব মনে পড়ল কেনো ওর?

- Morning buddy. Jason-এর গলার আওয়াজ পেয়ে মুখ ফেরালো গৌতম, দেখলো ও-ও এদিকেই আসছে breakfast-এর ট্রে-টা হাতে নিয়ে।
- ও, hi Jason। একটু সরে বসলো গৌতম, campus-cafeteria-র টেবিলটায়।
- Hummm, I see, you started eating some of our foods now, গৌতমের পাশের চেয়ার-টা টেনে নিতে নিতে বলল Jason। Have you got any test or quiz today?
- Yup, P.Chem in the morning and Calc-II after lunch. I am not ready for either one.
- Why man? Usually you are so prepared! Scrambled egg-এ fork চালাতে চালাতে বলল Jason।
- Not today, একটু আনমনা শোনালো গৌতমকে।
- Hmmm, home sick?
- No. Actually….., actually I would not know anything about being home sick. I sort of wanted to run away from my home. And here I am, exactly on the opposite side of the globe. একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলে গৌতম।

- Well, that makes two of us then. বলে ওর ডান হাতটা বাড়িয়ে দিল Jason, handshake-এর জন্য। My parents divorced when I was two and I grew up watching them fight all my life, over me and by using me. I just wanted to get away from BOTH of them, as far as I could. That’s why I chose Iowa for college, although they wanted me to stay close to them in California.

- My parents are not divorced. They would not know anything about ‘divorce’. My mom died when I was in 6th grade. I just wanted to run away ever since.

- I am sorry to hear that. By the way, are you ready for tonight? It’s Halloween Friday today, you know. You must put on a costume. And who knows, you may get ‘lucky’ tonight, INSTEAD of getting candy. বলে দুবার ওর সোনালী ভুরু দুটো নাচিয়ে টেবিল ছেড়ে উঠে পড়ল Jason. I know that you like Diana, বাঁ চোখটা মেরে বলে ও. Have you asked her out yet? Tonight is your chance! Okay, I better go. I will catch you later, at lunch perhaps?

- See you Jason. Cereal-টা শেষ করতে করতে বলে গৌতম।

Halloween? ET সিনেমা-য় এর কি একটা scene ছিল না? ঐ যে, বাচ্চারা সব অদ্ভুত রকমের, আর নানান রকমের পোশাক-আশাক পরে বাড়ি বাড়ি যায় চকলেট-লজেন্স পাবার জন্য। New Empire-এ দেখতে গিয়েছিল না ও সিনেমা-টা? তারপর রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়ে...
- বড় ডিরেক্টর না ঘোড়ার ডিম! বেশ রেগেই বলে উঠল তপোদেব।
- আঃ, ‘তপা’; একটু আস্তে বল। Aminia-র মেনুতে মোগলাই পরোটার price-টায় চোখ বোলাতে বোলাতে বলে সুকোমল।
- না রে ‘সুকু’, ও ঠিকই বোলেছে। সুমন্ত-ত্ত বেশ উত্তেজিত। সত্যি কথাটা বলার সৎ সাহস না থাকলে কোন কিছুতেই ‘বড়’ হওয়া যায় না, বুঝলি? বেশ confidence-এর সাথে কথাগুলো বলে সুমন্ত।
- শালা বড় ডিরেক্টর হবে তো হও না, কিন্তু গল্পটার বেলায় ধাপ্পাবাজি কেনো বাবা? ‘তপা’ তখনও উত্তেজিত।
দুহাতের তালুর মাঝে salt আর pepper shaker দুটো ঘোরাতে ঘোরাতে, ঘাড় গুঁজে একটু আনমনা ভাবে এসব শুনে যাচ্ছিল গৌতম। ভাবছিল মোগলাই পরোটার দাম দেবে কোত্থেকে ও? ওর তো পকেটে অতো পয়সাই নেই। ভাবতে ভাবতে বোলেই ফেললো ও কথাটা।
- তুই চিন্তা কোরিস না, আমার কাছে কিছু extra আছে, যা খাবি order দে। আশ্বাস দিল সুমন্ত।
- Spielberg যে সত্যজিৎ রায়-এর “বঙ্কু বাবুর বন্ধু” গল্পটা ঝেরেছে, এটা পরিষ্কার। একবার mention করলেই তো পারতো। ব্যাস, মিটে যেত। একটু স্বগোক্তির সুরে বলে গৌতম। তাতে ET ছবিটার মাহাত্ম্য কিছু কমে যেতো বলে তো আমার মনে হয় না। ক্লাস সেভেন-এর ছোকরা-গৌতম একেবারে পাকা film critic-এর মতো মত দেয়।
- শালা, আমাদের বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট-এর নাম-টাও তো একটু বাড়তো! না কি? ব্যাটা ঐ ‘Temple of Doom’ করতে এসেই মালটা হাতিয়েছে, বুঝলি। খুব sure হয়েই কথাগুলো বলে ‘তপা’। ...মোগলাই পরোটা এসে যাওয়ায় আর কথা বারাতে পারলো না ও।

- We will be closing our breakfast soon, sir; পাশের টেবিল-টা wet-cloth দিয়ে মুছতে মুছতে বোলল campus-cafeteria-র কাজের মেয়েটা। শুনে একটু নড়েচড়ে বসে গৌতম। P. Chem-এর notes-গুলোতে আর চোখ বোলানো হল না ওর।

নাঃ। পরীক্ষা দুটোর কোনটাই ভালো হল না আজ গৌতমের। Problems গুলো ঠিকঠাক হয়েছে হয়তো, কিন্তু thermodynamics-এর definition গুলো কিছুতেই মনে করতে পারলো না ও। পুজোটাও এবার miss হয়ে গেলো। তবুও এই শেষ October-এর পরন্ত বিকেলে মনটা আজ কেমন যেন ফুরফুরে লাগে ওর।

আজ snow হওয়ার কথা। সেই জন্যই কি? জীবনে প্রথম snow দেখার সুযোগ হবে! চারিদিকটা কেমন সাদা হয়ে যাবে, তাই না? কেমন যেন একটা উত্তেজনা হয় ওর।

আচ্ছা, snow-এর সময় তার মাঝখানে চৈতন্যের মতো দু’হাত তুলে দাঁড়িয়ে থাকলে কেমন হবে, ঐ কলকাতায় স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার সময় বৃষ্টিতে ভিজতে যেরকম ভালো লাগতো সেরকম?

Snow-টা যখন পোরবে, সেটা কি powder-এর মতো হবে? হঠাৎ Diana-র কথা মনে পরে গৌতমের। ওর গায়ের চামরাটা কি মসৃণ, তাই না? সেদিন handshake করার সময় কেমন যেন তুলোর মতো নরম মনে হয়েছিল ওর হাতটাকে। আচ্ছা, ওর চোখদুটো কি নীল? না সবুজ? নীল-সবুজের মাঝামাঝি কিছু একটা হবে বোধহয়। কিরকম একটা অনাবিল আনন্দে মনটা ভোরে গেলো গৌতমের।

নাঃ, আজ সাহস কোরে কথাটা বলতেই হবে Diana-কে। নিঃশ্বাসটা কেমন যেন ভারি হয়ে আসছে, হন্ হন্ করে dorm-এর দিকে হাঁটতে হাঁটতে অনুভব করে গৌতম।

কি যেন একটা party চলছে dorm-এর common-room-টায়। চারিদিকে সব রঙ-বেরঙের বেলুন আর নানান size-এর pumpkin দিয়ে নানান রকম সাজসজ্জা।

এই pumpkin নাকি আবার খাওয়াও যায়। আচ্ছা, এটা কি fruit, না vegetable? এটা কি আমাদের দেশের কুমড়োর মতো, নাকি তালের মতো? কোনটাই না বোধহয়। তা হলে কি এটা আমাদের দেশের লাউ-এর মতো? না হলে pumpkin-কে নিয়ে এত হৈ হৈ করার কী আছে? Pumpkin দিয়ে কি তা হলে ডুগডুগি বানানো যেতে পারে?

ধুর্‌, এ দেশে আবার বাউল হয় নাকি, যে ডুগডুগি হবে? সেদিন আবার TV-তে দেখালো এক বাবা তার পুচকি মেয়েটাকে ডাকছে “pumpkin” বলে! ঠিক ব্যাপারটা কি?

Pumpkin-কে নিয়ে এত মাতামাতি কেনো? এখানে নাকি একটু পরে air-এ “candy throw” করা হবে! সেটা কিরকম হবে? আমাদের দেশের হরির লুটে বাতাসা ছোঁড়ার মতো? ভাবতে ভাবতে ভিড়ের মধ্যে নিজের অজান্তেই Diana-কে যেন খুঁজতে লাগলো গৌতম। খুব জোরে music বাজছে এখানে, সবাই তার সাথে কিরকম তালে তালে নাচছে। Music-টা কেমন যেন কর্কশ ধরনের, তাই না? ও মনে মনে সুর ভাঁজতে লাগলো...

“লাউ-এর আগা খাইলাম, ডগাগো খাইলাম, লাউ দিয়া বানাইলাম ডুগডুগি, সাধের...” নাঃ, ঠিক জমছে না। খুব একা একা লাগে গৌতমের। একটু Diana-র দেখা যদি পাওয়া যেত......, ওর ঐ পাগল কোরে দেওয়া নীল চোখদুটোর হাতছানি যেন উন্মত্ত কোরে তোলে গৌতমকে। তবুও, এই ভিড়ের মধ্যেও, একাকীত্বের ভাবটা যেন হতোদ্যম করে দিত লাগলো ওকে। বাইরে এত ঠাণ্ডা হওয়া সত্ত্বেও জামার ভেতর ঘাম অনুভব করলো গৌতম।

বেশ কিছুক্ষন এর ওর সাথে নাচানাচি করার চেষ্টা করলো গৌতম, কিন্তু বিশেষ সুবিধে করতে পারলো না ও। কিরকম খাপছাড়া মনে হতে লাগলো ওর।

পিঠে দুটো আলতো টোকা feel করে গৌতম। পিছন ফিরে তাকাতেই নীল চোখদুটো চিনতে পারলো ও। কিন্তু একী? Diana এরকম সেজেছে কেনো ? জামা-কাপর সব কালো, টুপিটাও। হাতে আবার ওটা কি? লাঠি? মুখে কি কালো রঙ মেখেছে ও?

- How do I look “গুটাম্”? দুহাত ছড়িয়ে, পা দুটোকে cross করে জিজ্ঞেস করে Diana. I am a witch tonight. হঠাৎ এক পায়ে একটা চড়কি-পাক খেয়ে বললো ও।

ও কি মিটি মিটি হাসছে? মুখে কালো রঙ মাখায় ঠিক ভালো করে বোঝা যাচ্ছে না। ও কি আমায় কাছে ডাকছে? ভাবতে ভাবতে Diana-র একদম কাছে চলে আসে গৌতম।

- Do you have anything like this in India?

- Not really. লালচোখ, কালো কালী ঠাকুরের মুখ, আর দোল-এর দিনের রঙ মাখা মুখের কথা মনে পড়ে যায় গৌতমের, কিন্তু ঠিক বোঝাতে পারবে না বলে কিছু বললো না ও।

ভিড়টা বোধহয় একটু পাতলা হয়ে আসছে। রাত কত হল? একটা-দেড়টা হবে বোধ হয়। ভোর চারটেয় আবার কাজ আছে। Snow shovel করতে হবে, on-campus job-এর জন্য। Homework-গুলো না হয় পরে করা যাবে এখন...

- “গুটাম্”, would you like to come to my room upstairs?
- May be some other time, সঙ্কোচের সাথে বোলল গৌতম।
- Come on. It’s Friday night. Let’s enjoy.
- No, I mean…. actually….. I have to work in a couple of hours. I have to shovel snow at 4. কেমন যেন ভয় ভয় করতে লাগলো গৌতমের।
-Come on “গুটাম্”, I really mean it. বলে ওর ডান হাতটা বাড়িয়ে দিলো Diana. Let’s have a couple of beers before you need to go to work. Besides, I have a surprise for you, I think!
দিক-বিদিক জ্ঞ্যান শূণ্য হয়ে Diana-র বাড়ানো হাতটা ধরে গৌতম। আহ, কি নরম!
- Shhhh, cউrfew hours is in effect, ঠোঁটে বাঁ হাতের তর্জনী আঙুলটা ঠেকিয়ে বলে Diana! তারপর খুব সাবধানে সিঁড়ি বেয়ে dorm-এর দোতলার women’s floor-এ উঠে এলো ওরা। Hallway-তে ঢোকার double-door-টা ঠেলতে ঠেলতে কপালের ঘামটা চট্ কোরে রুমালে blot করে নেয় গৌতম। এতো গরম লাগছে হঠাৎ...
কিসের আওয়াজ আসছে Diana-র ঘর থেকে? TV-র? Hallway-তে Diana-র room-এর দিকে এগোতে এগোতে মনে হয় গৌতমের। কি আশ্চর্য, চাবি দিয়ে না খুলে ও টোকা মারছে কেন দরজায়?
- Baby please open the door, it’s me, whisper করে দরজার কাছে মুখ রেখে বলে Diana. কালো জামার সাথে কালো tie পরা একটা ছেলে দরজা খুলতেই Diana ঝাঁপিয়ে পড়ল ওর বুকের ওপর।
- Baby, remember, I told you? Please meet my ‘Indian friend’ “গুটাম্”। He is such a sweet-heart. He said that he would make me chicken curry some time. I absolutely adore him. Can you imagine they gave him a job to shovel snow? Poor thing just came from tropical part of India!
- Oh, I am so sorry, “গু- গুটাম্?” দরজার মুখে দাঁড়িয়েই ডান হাতটা বাড়িয়ে বলে ছেলেটা, handshake-এর জন্য।

- “গুটাম্”, please meet my boyfriend “Ken”, খিল খিল করে হেসে ফেলে Diana. He came all the way from Nebraska, to spend the Halloween weekend with me. Isn’t that sweet?

লজ্জায়, রাগে, দুঃখে চরম অপ্রস্তুত আর অপমানিত feel করে গৌতম। এত বোকা লাগলো নিজেকে! কোনরকমে Ken-এর সাথে একটা handshake কোরে বেড়িয়ে এল Diana-র ঘর থেকে। তারপর সোজা চলে গেলো snow shovel করতে।

এই ঠাণ্ডায় snow shovel করার জন্য ওর জামা-কাপড় আর জুতোজোড়া যে একেবারেই যথেষ্ট নয় সে কথা মনেই এল না গৌতমের। টের পেলো, যখন খানিক্ষণ snow shovel করার পর বুঝলো যে কান দুটোকে আর feel করতে পারছে না ও। নাকের ডগাটাও না। আঙ্গুলের ডগাগুলোও কেমন যেন আড়ষ্ট…

- “গাউটুম”, you better go home. একটু ইতস্তোতো স্বরে বলে Miles -maintenance team-এর supervisor লোকটা। I don’t feel safe for you to work here right now. You are freezing. Do you have snow-coat and snow-boot? You will need them to work here.

Let me know if you need any help, I may have some extra pairs that may fit you.

কোনোরকমে টলতে টলতে campus-এর রাস্তাটা ধরে সোজা dorm-এ ফেরত এলো গৌতম। দোতলার women’s floor-টা cross কোরে তিনতলার men’s floor-এ যাবার পথে কেমন যেন বিরক্ত লাগে ওর। প্রথম snowing-টা কেমন যেন miss হয়ে গেলো... রাগ হোল নিজের ওপরেই। তারপর কোনোরকমে ঘরে ঢুকে দুহাতে মুখ চেপে ও বসে পড়ে ওর bunkbed-এর বিছানায়। নিজের নাক-কানগুলোকে feel করার চেষ্টা করে খানিকক্ষণ, তারপর আর কিছু ভাবতে পারে না ও...

দরজায় হঠাৎ চাবির শব্দে উঠে বসার চেষ্টা করে গৌতম, কিন্তু আবার শুয়ে পড়ল।

- Hey man, উঁচু স্বরে ওর পর্তুগীজ accent-এ বলতে বলতে ঘরে ঢোকে Morecio. Are you okay? You have been sleeping all day! I was in earlier, and you were snoring like a pig!

- Really? নাকটা আছে তাহলে! কান দুটোকেও একবার touch কোরে দেখে নেয় গৌতম। I am so sorry, hope I did not bother you. What time is it?

- It’s about 8, in the EVENING that is। ঘাড়টা কয়েকবার ওপর-নীচে নাচিয়ে, একটু মজা কোরে বলে Morecio. You missed both brunch and supper.

- It’s okay. I am not hungry. Blanket-টা সামলাতে সামলাতে বলে গৌতম।

- I got to go now. Help yourself with some snacks on my desk, that my mom sent from Brazil. After all, what are room-mates for, ha?

মজা কোরে হাসতে হাসতে দরজা বন্ধ করে বেরিয়ে গেলো Morecio.
Brazil কথাটা শুনে গৌতম মনে করার চেষ্টা করে কোলকাতায় এখন ঠিক কটা বাজে। রবিবার সকাল ৮-টা মতো হবে না? সময়-টা কেমন যেন তাল-গোল পাকিয়ে যাচ্ছে! একটু পয়সা থাকলে একটা ফোন করা যেতো। কি ভালোই যে হতো তা হলে! বড্ড একা লাগছে যে ওর এখন। বোকাও।

Please Sign in or Create a free account to join the discussion

bullet Comments:

 

 

  Popular this month

 

  More from Gautam

PrabashiPost Classifieds



advertisement


advertisement


advertisement